Breaking News

Wednesday, January 28, 2015

উবুন্টুর জন্ম কাহিনী-উবুন্টু উপাখ্যান!

  • শুরুর গল্পঃ
শুনতে অনেকটা রূপকথার মত শোনাবে। দুষ্ট সফটওয়ার কম্পানিগুলো যখন পৃথিবীর মানুষদের তাদের হাতের মুঠোয় পুরে ফেলার চেষ্টা করা শুরু করল তখন এক আধপাগলা লোক একাই দাঁড়িয়ে গেলেন সেইসব কম্পানির বিপক্ষে। সফটওয়ার কম্পানিগুলো চাচ্ছিল সফটওয়ার লিখতে যেই কোডগুলো দরকার সেগুলোকে নিজের কাছে রাখবে, পৃথিবীর আর কেউ সেগুলো দেখতে পারবেনা। সেই কোড দিয়ে যে সফটওয়ারগুলো তৈরি হবে মানুষ কেবল সেগুলোই ব্যবহার করতে পারবে। কেউ যদি নিজের ইচ্ছেমত সেসব কোড পাল্টাতে চায় তাও সম্ভব না। কিন্তু ঐ আধপাগলা লোক এটা মেনে নিতে পারলেননা। তিনি বললেন সবকিছু হতে হবে ওপেনসোর্স, অর্থাৎ সবাই সব সোর্স কোড দেখতে পাবে, নাড়াচাড়া করতে পারবে, নিজের সৃষ্টিশীলতাকে কাজে লাগিয়ে নতুন কিছু তৈরি করবে। সোর্স কোড হচ্ছে একটা প্রোগ্রামের সেই কোড যার উপর পুরো সফটওয়ারটা দাড়িয়ে আছে। এই কোড যদি কেউ পায় তাহলে ইচ্ছা করলেই সে সেই প্রোগ্রামে পরিবর্তন বা পরিবর্ধন করতে পারবে। আধপাগলা সেই লোকটার নাম রিচার্ড স্টলম্যান। দুর্ধর্ষ প্রোগ্রামার হিসেবে পরিচিত স্টলম্যান একাই দাঁড়িয়ে গেলেন দুষ্ট সফটওয়ার কম্পানিগুলোর রাজত্বের বিরুদ্ধে। ধীরে ধীরে তার সাথে আরো অনেকই যোগ দিলেন। তারা গড়ে তোলে নিজেদের মুক্ত রাজত্ব গ্নু (GNU)।


উবুন্টুর সাথে লিনাক্সের সম্পর্ক কি?

যারা নতুন নতুন লিনাক্সে আসতে চান বা চিরদিন চারদিকে রেডহ্যাট লিনাক্সের নাম শুনে হঠাৎ করেই উবুন্টুর নাম শোনেন, তাদের অনেকেই বুঝতে পারেননা যে লিনাক্স আর উবুন্টুর মধ্যে সম্পর্কটা কি। উবুন্টু কি লিনাক্সের কোনো ভার্সন? যেমন উইন্ডোজের ক্ষেত্রে এক্সপি, ভিসতা বা সেভেন? নাকি উবুন্টুই লিনাক্স? যদি উবুন্টুই লিনাক্স হয় তাহলে রেড হ্যাট লিনাক্স কি জিনিস? ওটাওতো লিনাক্স? ওটা কি লিনাক্সের আলাদা ভার্সন?— এরকম হাজারো প্রশ্নের ভীড়ে তারা খাবি খেতে থাকেন। যারা এভাবে খাবি খেতে খেতে পেট ভর্তি করে ফেলেছেন তারা একটু মনযোগ দিয়ে এই লেখাটা পড়ুন, আশাকরি এরপর থেকে কেবল খাবি খেয়েই আর পেট ভর্তি করতে হবেনা!


প্রথম এবং শেষ কথা হচ্ছে লিনাক্স কোন অপারেটিং সিস্টেম না। কী ভড়কে গেলেন? এতদিন সবখানে পড়ে এসেছেন, জেনে এসেছেন, শুনে এসেছেন যে উইন্ডোজের মত লিনাক্সও একটা অপারেটিং সিস্টেম; আর আজকে আমার মত এক চুনোপুটি কিনা বলছে যে লিনাক্স কোন অপারেটিং সিস্টেম না! আসলেই ব্যাপারটা তাই। লিনাক্স কোন অপারেটিং সিস্টেম না।

লিনাক্সের জন্ম কাহিনী

১৯৬৯ সালের ডিসেম্বরে যখন ছেলেটার জন্ম হয় তখনই কি সাংবাদিক এবং কবি ওলে টরভাল্ডস বুঝতে পেরেছিলেন যে তার নাতি একদিন বিশ্ব কাঁপাবে? ওলে টরভাল্ডসের ছেলে নিল‍্স বা ছেলের বউ এ্যানাও মনে হয় বুঝেছিল যে তাদের ছেলেকে একদিন পুরো বিশ্ব চিনবে এক নামে। সেজন্যই বোধহয় নোবেল প্রাইজ বিজয়ী আমেরিকান কেমিস্ট “লিনুস পলিং” এর নামানুসারে ছোট্ট ছেলেটির নাম রাখেন লিনুস বেনেডিক্ট টরভাল্ডস। দাদা ছিলেন একাধারে কবি ও সাংবাদিক, বাবা-মা দুজনেই সাংবাদিক, তাই চোখ বন্ধ করেই বলে দেয়া যায় ছোট্ট লিনুস বড় হলে এই লেখালেখির জগতকেই আপন করে নিবে।


Saturday, January 3, 2015

আপনার পক্ষে উত্তর দিবে আপনার ইমেইল

প্রায় সব ই-মেইল ঠিকানায়ই মেইল গ্রহণ করার সঙ্গে সঙ্গে স্বয়ংক্রিয়ভাবে একটি প্রাপ্তি স্বীকার উত্তর পাঠানো যায়। এতে প্রেরক বুঝতে পারেন মেইলটি প্রাপকের ঠিকানায় পৌঁছেছে।

Friday, January 2, 2015

লুডভিগ বোলৎসমান

লুডভিগ বোলৎসমান: (জার্মান: Ludwig Boltzmann) (২০শে ফেব্রুয়ারি, ১৮৪৪ – ৫ই সেপ্টেম্বর, ১৯০৬) প্রখ্যাত অষ্ট্রীয় পদার্থবিজ্ঞানী, দার্শনিক ও গণিতজ্ঞ। তিনিই প্রথম বলেছিলেন, পরমাণুকে না দেখলেও কিছু পরিসাংখ্যিক সমীকরণের মাধ্যমে আমাদের পক্ষে তাদের গতিবিধি বর্ণনা করা সম্ভব। এভাবেই তিনি পরিসাংখ্যিক গতিবিদ্যার জন্ম দেন। তখনকার প্রতিষ্ঠিত নিয়মের বাইরে গিয়ে তিনি আরও বলেছিলেন, তাপগতিবিদ্যায় সম্ভাব্যতার ধারণা সংযোজন করা উচিত। এভাবে তার হাত ধরেপরিসাংখ্যিক তাপগতিবিদ্যারও জন্ম হয়েছিল। তিনি বুঝতে পেরেছিলেন প্রকৃতির বিশৃঙ্খলাকে এনট্রপি নামক একটি গাণিতিক রাশির মাধ্যমে পরিমাপ করা সম্ভব। সে সময় প্রচলিত ধ্রুব প্রাকৃতিক নিয়মের বিরুদ্ধে গিয়ে প্রকৃতির বাস্তব বিশৃঙ্খলা এবং সম্ভাব্যতার প্রভাব আবিষ্কার করেছিলেন বলেই তাকে বলা হয় দ্য জিনিয়াস অফ ডিসঅর্ডার[১]

যে সকল কারন ক্রাশ হতে পারে আপনার পিসি….

প্রিয় বন্ধুরা আজকের পোষ্টটি করলাম পিসি নিয়ে ভালো লাগলে শেয়ার করবেন । Fatal Error : অনেক সময় সিস্টেম ব্যস্ত হয়ে পড়ে এবং বলে “Enter to return to Windows or Press Control-Alt-Delete to restart your computer”। এর মানে রিস্টার্ট করতে বলে। আপনি যদি তাই করেন তাহলে আপনার সকল Unsave (সেইফ করা নাই

যে সকল কারন ক্রাশ হতে পারে আপনার পিসি….

ঢাকায় হলো আন্তর্জাতিক প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতা

বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটির আয়োজনে চতুর্থ কাজী আজহার আলী আন্তর্জাতিক প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতা-২০১৪ অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত ২৭ ডিসেম্বর সকালে মোহাম্মদপুরে বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি মিলনায়তনে প্রতিযোগিতার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মো. মসিউর রহমান। এ সময় তিনি বলেন, বিশ্বব্যাপী চাহিদার কথা মাথায় রেখে দক্ষÿপ্রোগ্রামার তৈরি করতে এ ধরনের প্রতিযোগিতার

ঢাকায় হলো আন্তর্জাতিক প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতা

বঙ্গবন্ধু উপগ্রহের জন্য কক্ষপথ লিজ অনুমোদন

বঙ্গবন্ধু উপগ্রহের জন্য কক্ষপথ লিজ অনুমোদন
© 2015 S.A.S. Computer | Designed By Sheik Mohammad Shamsad